রবিবার, ১৭ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |আর্কাইভ|
header-ads
আমি রেনেসাঁর অভিযাত্রী ।
নভেম্বর ১৩, ২০১৮
আমি রেনেসাঁর অভিযাত্রী ।

মুহা. সাইমুম আল্-মাহ্দী।

শিক্ষার্থী: ইসলামী শরীয়াহ বিভাগ, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? প্রশ্নটি করেছিলেন ১৯১৮ সালে আবির্ভূত হওয়া ইসলামি রেনেসাঁর এক মহান কবি। তিনি হয়তোবা জানতেন, এ ক্ষুদ্র প্রায়সটুকু একটু হলেও যে ঝংকার তুলবে আগামীর কিশোর তরুণ সাহিত্যিকদের হৃদয়তন্ত্রীতে। যারা শুনবে পাশ্চাত্য অপসাংস্কৃতির উগ্র বেহায়াপনার ভয়ংকার জয়ভেরী। যাদের কর্ণকুহুরে শিহরণ বাজবে মজলুমের আর্তনাদ, পরাধীন জিঞ্জিরাবদ্ধতার আত্মচিৎকার। যারা শুনবে মর্মস্পর্শী অবেলার ডাক। সেই তাদের জন্যই তো যুগে যুগে আগমন করেছেন সুদক্ষ, সুনিপুন কবি সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক এবং আপোষহীন কলম সৈনিকগণ। যেমনিভাবে তারা সাহিত্য প্রতিভায় অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও অবিশ্রান্ত শ্রমের বিকিরণ ঘটিয়েছেন, ঠিক তেমনি আগামীর সহযাত্রীদের জন্য রেখে গিয়েছেন অসীম উৎসাহ আর প্রাণবন্ত প্রেরণা। কার দেওয়ান যে আজ আলোচনা করবো?
হযরত আবু বকর (রা.), হযরত উমর (রা.)? না হযরত আলী (রা.)? আমি লিখতে কি ভুল করব? উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা (রা.) এর নামটি। জালালুদ্দীন রুমী, জামী, আল্লামা শেখ সাদী, মহাকবি ফেরদাউসী। আল্লামা ইকবাল, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল, ফররুখ আহমদ, গোলাম মোস্তফার নামটি কি আমি স্বরণ করব না? সেই যুগবতার সোনালী কাতারে। যদি তাই হয়, তাহলে তাদের অসামাপ্ত কলম অভিযানের দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছেন তো আমাদের প্রতি। অপসাংস্কৃতির আগ্রাসনের মুলৎপাটনে যে কলমের অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল আজ থেকে দের হাজার বছর পূর্বে, সেই দীপ্তময় খাঁ খাঁ মরু প্রান্তরে, সেই ধারাবাহিকতায় মানুষরুপি হায়নাদের পশুত্বকে বলি দিয়ে কুলষ কালিমার চির অবসানের দায়িত্বতো আজ আমাদের প্রতি। যুগের ক্লান্তিলগ্নে, কালের অবক্ষয়ে সময়ের পরিক্রমায় একটি প্রশ্ন, জবাব আছে কি? কোথায় আজকের যুগের সত্যাশ্রয়ী মৃত্যুঞ্জয়ী অভিযাত্রিরা! নিশ্চয়ই আত্মগোপন করেছে, ফিতনা ভরা ধরার অতল গহ্বরে। নয়তবা আলসত্বের তিমির আঁধারে নাক ডেকে বিশ্রাম নিচ্ছে। সুযোগ কিন্তু হাতছাড়া করছে না সুযোগ সন্ধানিরা। অপ:সংস্কৃতির ছয়লাব আর সু-সাংস্কৃতির পতন, এ জন্যেই কি আমাদের ভাইয়েরা শাণিত ফোটার সাগর রচনা করেছিলেন ১৯৫২ সালে ঢাকার রাজ পথে? বাহ! বেশ ঘুমন্ত বীরের নাকের ডগায় উড়ছে প্রতিপক্ষের বিজয়ী পতাকা। এটাই আমাদের স্বাচ্ছন্দবোধ! অর্ধ পৃথিবী শাসনের গৌরবগাঁথা ইতিহাস নিয়ে আমরা আজও বেঁচে আছি, এ আমাদের বিরত্বতা? “মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পতন” প্রবাদটি এখন কেবলই বইয়ের শুকনো পাতায় বেণু বাজাচ্ছে। যার বাস্তবতা কুঁড়িয়ে নিয়ে গেছে, চীন-জাপান কিংবা আমেরিকা। হায়রে মুসলিম সাহিত্য! আফসোস, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ঘুমন্ত জাতির পূর্ন জাগরণের জন্য নজরুল ইসলাম শেষ বারের মত প্রচেষ্টা চলিয়েছেন-
“ঘুমিয়ে কাজা করেছি ফজর
তখনো জাগিনি যখন যোহর
হেলায় খেলায় কেটেছে আছর
মাগরিবের ঐ শুনিআযান।
জামাতে শামিল হওরে এশাতে,
এখনো জামাতে আছে স্থান।”
তবুও কাউকে খুঁজে পাওয়া গেলই না সর্বশেষ কাতারে। এমন যখন আমাদের অবস্থা তখন আর ইচ্ছে হয় না সাহিত্যের আল্পনা আঁকতে। নেই প্রেরণা, নেই সেই কলম আর জাতি; যারা এক ন্যানো সেকেন্ডের জন্যও কর্ণপাত করবে। কেনইবা তারা স্বানন্দে গ্রহণ করবে আমাদের এই সুসাহিত্যের শিলালিপি। কারণ তাদের দৃষ্টি তো অপসারিত হয়েছে এখন প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ছোঁয়ায়। কত সহজেই না বর্তমানে মনের সাহিত্য কামনা পূরণ করা যায়। (“আকাশ থেকে অনিষ্ঠ ছড়িয়ে দিবে” বর্তমান ইন্টারনেট-স্যাটেলাইটের ভবিষ্যৎবাণী করে ছিলেন নবীউকি তাজেদার।) আমাদের কি সম্ভব ছিল না, ইসলামি রেঁনেসাকে প্রযুক্তির সহায়তায় বিকাশ সাধন? বর্তমানে পেপার-পত্রিকা, ব্লগ কিংবা টুইটার-ফেইসবুক আর মিডিয়া জগতের মাঝে ইসলামি সাহিত্য প্রতিভাকে উদ্ভাসিত করা কি দোষের কিছু হবে? আমরা যদি এই ইতিবাচক চিন্তাটি করি তাহলে কোথায় সুযোগ পাবে অপ:সাহিত্যের জনকেরা। ল্যাজ উঠিয়ে পালাতে বাধ্য হবে নিশ্চয়ই। ভাবলে অবাক হতে হয়, ছি: ছি:! কত লজ্জার কথা আমাদের মুভমেন্ট এখন তো শত বছর পূর্বের সেই জাহিলিয়াতের নারী প্রেম নিয়ে, অমার্জিত ও কুরুচিপূর্ণ সাহিত্য রচনার দিকে। ২০০ টি উপন্যাস একটি কলমের ছোয়ায় এতো সমসাময়িক জাতির জন্য বড়ই অহংকার এবং গর্বের বিষয়। শত বছর পরের মুসলিম সাহিত্য অন্বেষীদের নিকট গৌরাবান্বিত নাম। কিন্তু এখানেই কলমটি থেমে যাবে কী? ভাবার বিষয়, একটু পড়ে দেখা যাক। নাহ্ দু:খিত! উপন্যাস গুলো আমাকে অনুপুযুক্ত করে দিয়েছে তা পড়ার। এটাই যে যুগের চাহিদা মাত্র। বাহ! কি চমৎকার, এই হল আমাদের সাহিত্য এবং গৌরবের মুসলিম সাহিত্যিকদের নাম।
সময় হয়েছে ঘুম ভাঙ্গার। নব জাগরণের অসীম সাহসিকতার দুর্দম পরিচয় দিয়ে সিক্ত করতে হবে সাহিত্যের বেলাভূমি। আর দেরী নয়। সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ= এবারের মহাযাত্রা= সাহিত্যের অসীমতায়= ইসলামি রেঁনেসার সাগর রচনা। “মানুষ সমালোচনা করতে পছন্দ করে আমি তাতে মাথা ঘামাইনা” উক্তিটি পড়েছিলাম ১৯৬৯ সালের ইতিহাস বিজেতা নীল আর্মষ্ট্রং এর জীবনের শেষ সাক্ষাতকারের প্রতিবেদন থেকে। কেন এমন হৃদয় ভারা‎ক্রান্ত মর্মস্পর্শি অমীয় বাণী? যখন প্রশ্ন উঠেছিল সত্যি তিনি কি চন্দ্র অভিযান করেছেন? মূর্খদের প্রশ্নে তিনি মাথা ঘামান নি, আমরা কি মাথা ঘামাবো? ‘এক মানুষই আনতে পারে জাতির জাগরণ’ এমন কাব্যিক চেতনার উন্মেষ সাধিত হয়, একজন সুসাহিত্যিকের প্রচেষ্টার ফলে। সেই এক মানুষ আমরা কি হতে পারি না? কিভাবেই বা পারব। সেরকম হতে হলে সব কিছুই যে উৎসর্গ করতে হবে, বিসর্জন দিতে হবে মানবতার মুক্তির সোপানে। আমরা আমাদের স্বার্থ নিয়েই সদা ব্যস্ত, আজ কাল শিরোনামের চেয়ে রচিয়তার নামটি বড় ফন্টে লিখতে দেখা যায়। এতই যখন আমাদের বাহাদুরী তবে কেন ১৯১৩ সালে শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল সাহিত্য ধ্রুবাকাশে নোভেল নামের ধুমকেতুটি। লাল সবুজের জিঞ্জিরাবদ্ধ আকাশে আর কবে উদিত হবে? সময় বলে দিবে..বদলে যাওয়ার দিন। কলম সৈনিক বন্ধুরা! হীম শীতল হীন মন্যতায় দিন পার হচ্ছে বুঝি। কারণ, ওরা প্রশ্ন করছে ইসলামে কি সভ্যতা আর সাংস্কৃতির সাধনা আছে? মুচকি না হেসে পারলাম না। যে দ্বীন তাহজ্জিব তামাদ্দুন এর উপর ভর করেই সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে সারা বিশ্বময়, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বোকামির নামান্তর নয় কি? চলো তাহলে একটু ইতিহাসের সোনালি পাতায় বিচরণ করে আসি।
স্মরণ করি আমাদের গৌরবগাথা দিনগুলো। বিশ্ব জাহানকে সাহিত্য চর্চায় যিনি সর্ব প্রথম উৎসাহিত করেছিলেন, তিনি ছিলেন সেই প্রিয় নামটি হযরত মোহাম্মাদ (দ:)। মসজিদে নববীর সেই মিম্বর, আর হাসসান ইবনে সাবেত (রা.) একটি আলোক উজ্জ্বল উদাহরণ মাত্র। এভাবে খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ থেকে উমাইয়া, আব্বাসীয়, তুর্কী সকল খলিফাদের শাসন আমলেই উৎসাহ প্রেরণায় উজ্জবিত হয়েছেন সে কালের কবি সাহিত্যিকগণ। ইসলামী যুগে প্রসিদ্ধ সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিলেন, কবি ইবনে যুহাইল, খানসা, হাসসান বিন সাবিত, সাতিয়াহ, আবুল আসওয়াদ দুয়ালী, আবু শামকামাক, ইবনে খাইমী, ইবনে মুকুবিল এরকম অগণিত রয়েছেন আমাদের কৃতিত্ব বহনকারী মহা সাহিত্যিক গণ।
উমাইয়া যুগেই রয়েছেন অসংখ্য কবি সাহিত্যিক। তারা হলেন- ফারাজদাক, জারীর, আহওয়াস, কাসীর আজ্জাহ, উমর ইবনে আবি রাবিয়া, জুররিমা, লাইলা, আখিলিয়্যাহ হারেস মাখদুমি, সুরাকা বারেকা, আদি ইবনে রুকা, জামীল বাসিনা, সুহাইদ ইবনে কিরা, মুয়াবিয়া ইবনে সুফিয়ান, ইয়াজদ ইবনে মুয়াবিয়া, আবু নজম আজালী, হাসান-হোসাইন ইবনে আলী, মুকান্না কিন্দী, আবদুল হামিদ ইবনে ইয়াহইয়া।
আবার আব্বাসীয় যুগের কথাই এবারে স্মরণ করা যাক। সেকালে যারা সাহিত্য সাধনায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন- ইবনে ফায়েয, ইবনে রুমি, বুহতারী, ইকবাল, বুসরি, এমন কি ইমাম শাফেয়ী (র.), আবুল আতাহিয়্যাহ, আবু ফারাস হামদানী, কুতরুব ইবনে সিনান, ইবনে দিহান, ইবনে মুকাফফা, জায়ের ইবনে আমীদ এ ইতিহাস শেষ হবার নয়। কারণ স্পন্দিত আলোরিত সুশোভিত সাহিত্য শৈলীর সর্ব উৎকৃষ্ট বিন্যাসে অলংকার শাস্ত্রের কোমল আবৃত মহা ঐশী গ্রন্থের অবতরণিকা তো কত চরম পরম সাহিত্য প্রেরণার এক অম্লান দৃষ্টান্ত। পড় তোমার সৃজনকারী সেই মহান বিশ্ব নিয়ন্ত্রার নামে…. যিনি (বিশ্ব জগতজনকে) শিখিয়েছেন মশির দ্বারা। আলোচ্য আয়াতে কারীমা কত চমৎকার উদ্দীপনার শান্তবীণা। হৃদয়ের বদ্ধদ্বারে আবেগের সুরভী ছাড়িয়ে উচ্ছাসিত প্রেরণা জুগিয়েছে সুসাহিত্যিক এবং কলম সৈনিকের হৃদয়পটে।
সাহিত্যচর্চা থেকে শুরু করে সু-সাংস্কৃতি শিল্পকলা, বিজ্ঞান, দর্শন সব বিষয়ই কেমন যেন সুলতানে মদিনার এক অমীয় প্রতিভার ক্ষুদ্র ঝলক। ১৪ শত বছরের ব্যবধানে বসুন্ধরার সকল কালের সব সভ্যতার স্বীয় সাংস্কৃতিকে কুপোকাত করে প্রস্ফুটিত হয়েছিল এবিজয়গাঁথা মহা অভিযান। শত সহস্র উদাহরণের একটি মাত্র উপস্থাপন করছি সেটা হয়ত ৮১৩-৮৩৩ হিজরী সনের ইতিহাস খ্যাত মহা সাহিত্যিক এবং খলিফা মামুন দ্যা গ্রেট এর কথা। যার অমর স্বাক্ষী, সর্ব প্রথম গভেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দারুল হিকমা নামে তৎকালিন ৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। লাইব্রেরীকে বলা হয় Store house of knowledge  মুসলিম সাহিত্যিকগণ কি অবদান রেখেছিলেন এ ব্যাপারে? হ্যাঁ যখন ইউরোপ সভ্যতার অমানিশা চলছিল জ্ঞানের দিপ্ত শাখায় তখন শত শত লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠা করে ইসলামের শান শওকত জ্ঞানের অসীম পরিধির সংজ্ঞা দিয়েছিলেন মুসলিম সাহিত্যিক মনীষীগণ। যার একটির উদহারণ হলো “House of lerning” যার বইয়ের সংখ্যা ছিল ১২ লাখের চেয়েও বেশী। এরকম কায়রোতে, ৮৮৫ সালে ইস্পাহানে, ৯৬৫ সালে নিশাপুরে সমান সংখ্যক পুস্তকের সমাহার ছিল। ইতিহাসের কুলাঙ্গারেরা লাইব্রেরী গুলো ধ্বংস করেছিল- ঐতিহাসিক মত অনুসারে, তুর্কী সেনাবাহিনী ‘অ্যাবেয়ার’ (Abyar) নামক স্থানে যে পরিমান বই ধ্বংস করেছিল যার পরবর্তিতে নাম করণ করা হয়েছিল Hill of the Books। আবার মধ্য যুগের লিবাননের ত্রিপলিতে যে লাইব্রেরী টি ছিল তাতে কেবলমাত্র কুরআন মাজিদই ছিল ৫০ হাজার এবং তাফসির গ্রন্থ ছিল আশি হাজার কিন্তু সেটাও বিয়োগ বেদনার ইতিহাস রচনা করে ১১০৯ সালে খ্রিস্টান ক্রোসেডার কর্তৃক ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
ইতিহাস কাউকে তো ক্ষমা করে না তাই অশ্রুসিক্ত পাতার মহা সাগর তুল্য ইতিহাস থেকে নিতান্ত কিছু তুলে ধরলাম, যাতে আমাদের মন যেন ছোট না থাকে “আত্ম পরিচয়ই মহান প্রেরণা।” বাস্তব জগতে আমাদের অবস্থান কোথায়? অত্যান্ত দৃঢ় মনবল আর আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলব- এই সেই পথ, আমি খুঁজে পেয়েছি। পাঠক বন্ধুরা! আজ অবেলার দিনে কিরণ মালির লালিমা গগণ মর্গে দেখা যাচ্ছে। এই সেই হিসনে হাসিন, এই সেই কানন , এইতো সাহিত্যারণ্য । হারানো দিনের পুণরুত্থানের সুসাহিত্য বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এরাই আলোকতরী অভিযানের রেনেসাঁয় উৎসাহিত অভিযাত্রি দল। আমি সেই আলোর পথের অভিযাত্রী। তোমাকেও আহ্বান, জেগে উঠোর। আপনার চেতনা ও প্রতিভার শক্তিবলে।
কে জানে কোথায়? চালিয়াছি ভাই, মুসাফির পথচারী, দু:ধারে দু’কুল, দু:খ সুখের মাঝে আমি স্রোত বারি। অস্ত আকাশ অলিন্দে তার শীর্ণ কপল রাখি, কাঁদিতেছে চাঁদ মুসাফির জাগো নিশি আর নাই বাকি
Print Friendly, PDF & Email