সোমবার, ৬ই জুলাই ২০২০ ইং, ২২শে আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |আর্কাইভ|
ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় বিশ্বের চতুর্থ ইরান
জানুয়ারি ১০, ২০২০
ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় বিশ্বের চতুর্থ ইরান

দর্পণ ডেস্কঃ
ইরানের প্রতিরক্ষা বিভাগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। ২০১৫ সালে যুক্তরাস্ট্র পরমাণু চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর রীতিমত ঘোষণা দিয়েই ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবস্থায় উন্নতির দিকে নজর দেয় দেশটি। কয়েক বছরে স্বল্প ও মধ্য পাল্লার মিসাইলের অন্যতম ভান্ডার হয়ে ওঠে তেহরান। বর্তমান সময় যুক্তরাস্ট্র, রাশিয়া এবং চিনের পর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় বিশ্বের চতুর্থ শক্তি হিসেবে ধরা হয় ইরানকে। গত বুধবার (৮জানুয়ারি) ভোরে ইরাকে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্বক্ষমতা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড়; বিশেষ করে স্বল্প পাল্লা আর মাঝারি পাল্লার। এসব ক্ষেপণাস্ত্র অনেক ক্ষেত্রেই সৌদি আরব ও উপসাগরীয় এলাকার অনেক ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সক্ষম। পেন্টাগনের দাবি, গত কয়েক বছর ধরেই আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে ইরান।

দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কিয়াম, শাহাব, আশুরা, সেজিল, ইমাদের মত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানতে পারে ১ থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষবস্তুতে। মিশকাত নামের ইরানি ক্রস ক্ষেপণাস্ত্রের দৌড় ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। পূরণো ধাঁচের মিসাইল শাবাব থ্রিতে যুক্ত করা হয়েছে নতুন প্রযুক্তি।

২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির পর দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি স্থগিত করেছিলো ইরান, তবে চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি উন্নয়নে নজর দেয় দেশটি। এমনকি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে স্পেস টেকনোলজি নিয়েও পরিক্ষা-নিরীক্ষা করছে তেহরান।

Print Friendly, PDF & Email