শনিবার, ১৬ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |আর্কাইভ|
header-ads
জাবিতে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ
অক্টোবর ২৬, ২০১৯
জাবিতে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ

জাবি প্রতিনিধিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সরকার ও রাজনীতি বিভাগের এক অধ্যাপক ও তার সহ-লেখক আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পত্রে চৌর্যবৃত্তি করে লেখা প্রকাশের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম। অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

জানা যায়, ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জাহাঙ্গীরনগর জার্নাল অব এডমিনিস্ট্রেটিভ সাইন্স’ এ প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রবন্ধটির শিরোনাম হল- কমপিটেন্স অব কমিউিনিটি পলিসিং ইন বাংলাদেশ: এ পারসেপশন স্টাডি। টার্নিটিন সফটওয়্যার দ্বারা পরীক্ষার পর গবেষণা প্রবন্ধটির শতকরা ৮৩ শতাংশই মিল পাওয়া গেছে। এছাড়া ইন্টারনেটের প্রায় ১৭টি ওয়েব সাইট থেকে এই তথ্য সরবরাহ করা হয়ে থাকলেও তার কোন রেফারেন্স উল্লেখ করা হয়নি গবেষণাপত্রটিতে।

গবেষণাপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে আরেকজন গবেষকের লেখা ধার করার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম না থাকলেও আর্ন্তজাতিক জার্নালগুলো সর্বোচ্চ শতকরা ২০ভাগ লেখা ধার করার ক্ষেত্রে অনুমোদন দেয়। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার সহলেখক অনেক বেশি লেখা ধার করেছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রেফারেন্সও উল্লেখ করেননি। অথচ এই গবেষণা কর্ম দেখিয়েই অধ্যাপক বশির আহমেদ সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক এবং তারিকুল ইসলাম প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান।

এ বিষয়ে অধ্যাপক বশির আহমেদ গবেষণা জলিয়াতির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জার্নালে কেউ লেখা কারচুপি করলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জার্নালের এডিটোরিয়াল বোর্ড এবং যার লেখা কারচুপি করা হয় বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অভিযোগ করতে পারে। এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে লেখা প্রকাশে অন্য লেখকের লেখা ধার করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই।

Print Friendly, PDF & Email